বর্তমান
বিশ্বের সকল দেশই রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত। শ্রম বিভাজন,পন্যের
বিশেষীকরণ,প্রাকৃতিক সম্পদের বৈচিত্র্যতা,কারিগরি দক্ষতার ভিন্নতা ইত্যাদি কারনে
দেশগুলো রপ্তানি ও আমদানি সম্পর্ক গড়ে তোলে। যে কোন বাণিজ্যে পদ্ধতির সাথে একটি
বাণিজ্য পদ্ধতি হলেও অন্যান্য বাণিজ্যিক পদ্ধতি থেকে আমদানি ও রপ্তানি পদ্ধতি
সম্পূর্ণ আলাদা। এই পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি,বিধি-নিষেধ এবং আনুষ্ঠানিকতা
মেনে চলতে হয়। এছাড়া বর্তমান প্রতিযোগিতা পূর্ণ বাণিজ্যে, একটি দেশের অর্থনৈতিক
উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি ও সহায়ক উপায় হল রপ্তানি ও আমদানি বাণিজ্য। এই রকম বহুবিধ
কারণেই আমদানি ও রপ্তানি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা অর্জন ও জ্ঞান লাভ করা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ি,উদ্যোক্তা ও
বাণিজ্যের শিক্ষার্থী দের জন্য এই বিষয়ে শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য
সুতরাং যারা ভবিষ্যতে আমদানি ও রপ্তানির সাথে জড়িত হতে চান বা হবেন তারা অবশ্যই
আমদানি ও রপ্তানি সম্পর্কে নিজ নিজ দেশের আইন কানুন ও সম্পর্কিত দেশের আমদানি ও
রপ্তানি পদ্ধতি সম্পর্কে অবশ্যই ধারণা রাখা ও পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন করার চেষ্টা
করবেন। এতে করে আমদানি ও রপ্তানির সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহ হিসেবে উপকৃত হবেন
উদ্যোক্তা হিসেবে আপনি নিজে ও উপকৃত হবে বাংলাদেশ।
Saturday, March 14, 2015
Thursday, March 5, 2015
আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে দক্ষ মানব সম্পদ গঠনে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলতে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের উপর ডিপ্লোমা,স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার প্রচলন এখন সময়ের দাবী।
বাংলাদেশে
সাধারণ ও উচ্চতর শিক্ষার এবং
শিক্ষা
প্রদানের মাধ্যমের অভাব নাই কিন্তু
সেই
শিক্ষার আদলে কর্মজীবন গঠনের সুযোগ
পায়না
অনেকেই।
মনে
করুন বিজ্ঞানের ছাত্র বাণিজ্য সম্পর্কিত
কর্মে
যোগদান করে,আবার বাণিজ্যের ছাত্র
শিল্প
কলায় যুক্ত হয়।
আবার
বাংলাদেশে কর্ম জীবনে যোগদান করলে
কর্ম সংক্রান্ত
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষারও অনেক অভাব থাকে।
কর্ম
জীবনে বাংলাদেশে যে সকল বিষয় নিয়ে কাজ করার
সুযোগ
রয়েছে অথবা উন্নত করার সুযোগ রয়েছে
সেই সকল
বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ অনেক কম,
কিছু
কিছু ক্ষেত্রে নাই বল্লেই চলে।
যেমন
ধরুন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ও বৈদেশিক
বাণিজ্যের
ক্ষেত্র আজ অনেক উন্নত করলেও
আমদানি
রপ্তানি বাণিজ্যে শিক্ষা গ্রহণের কোন প্রতিষ্ঠান এখনো
গড়ে ওঠে
নাই। শুধুমাত্র বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের
সময়ে
১০০ মার্ক এর একটি বিষয় পড়া লিখা করে মাত্র।
আমাদের
পার্শ্ববর্তী ভারতেও আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের উপর ডিপ্লোমা
করা
যায়।আবার উন্নত দেশ গুলোতে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের উপর
উচ্চতর
শিক্ষা গ্রহণের অনেক সুযোগ রয়েছে।
সুতরাং
আমাদের দেশের চাহিদার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের
দক্ষ
কর্মী বাহিনী গঠনের জন্য বিভিন্ন সরকারি ও বেক্টী মালিকানাধীন
স্নাতক
ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা প্রচলন করা এখন সময়ের দাবী।
এতে
প্রকৃত অর্থে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যে দক্ষ মানব সম্পদ
গঠিত
হবে এবং উপকৃত হবে বাংলাদেশ।
Subscribe to:
Posts (Atom)

